শেষ উইকেট বাঁচিয়ে পাকিস্তানের ড্র

ক্রিকেট ক্রীড়া জগত

নিউজিল্যান্ডের দরকার ১ উইকেট, পাকিস্তানের প্রয়োজন ১৫ রান- এই লক্ষ্য পূরণের জন্য দুই দলের হাতে ছিল মাত্র ৩ ওভার। কিন্তু আলোক স্বল্পতায় ওই ৩ ওভার খেলা না হওয়ায় ড্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় দুই দলকে। তবে আক্ষেপ থাকবে নিউজিল্যান্ডের। কারণ আলোক স্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ২১ বল পেয়েও পাকিস্তানের শেষ জুটি ভাঙতে পারেনি তারা। তাই এই ড্র’তে ভীষণ খুশি পাকিস্তান শিবির।

পাকিস্তানের এই দুর্দান্ত ড্রয়ের রূপকার হলেন সরফরাজ আহমেদ। সাড়ে ৪ বছর পর টেস্ট দলে ফিরে স্বপ্নের মতো পারফর্ম করেছেন তিনি। আর গতকাল দলের প্রয়োজনের সময় বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গেছেন সাবেক এ অধিনায়ক। ক্যারিয়ার সেরা ১১৮ রানের ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে ড্রয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান তিনি। 

নবম উইকেট হিসেবে তিনি আউট হওয়ার পর মনে হয়েছিল পাকিস্তানের হার বাঁচানোর শেষ আশা বুঝি শেষ হয়ে গেল! কিন্তু তাঁর এমন একটি দুর্দান্ত ইনিংসেই যেন বলিয়ান হয়ে ওঠে পাকিস্তানের শেষ জুটি নাসিম ও আবরার। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো- এ দু’জন রক্ষণাত্মক পথে হাঁটেননি। চার-ছয় মেরে উল্টো হত্যোদম করে দেন কিউই বোলারদের। তাঁদের এ মারমুখী ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের জয়ের সম্ভাবনাও উঁকি দিতে শুরু করেছিল। সে যাই হোক, যা হয়েছে তাতেই সম্ভবত বেজায় খুশি পাকিস্তান।

৩১৯ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ দিন শেষ বেলায় শূন্য রানে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান। গতকাল ইমাম-উল হক, বাবর আজম ও শান মাসুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৮০ রানে ৫ উইকেট পতনের পর জুটি বাঁধেন সরফরাজ ও সউদ শাকিল। ষষ্ঠ উইকেটে ১২৩ রান যোগ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এ দু’জন। শাকিল ৩২ রান করেন ১৪৬ বল খেলে। ভীষণ ধৈর্য নিয়ে ব্যাট করা শাকিল আউট হওয়ার পর আগা সালমানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন সরফরাজ। সালমান আউট হলে সরফরাজ একাই লড়াই চালান। শেষ পর্যন্ত তিনি আউট হলেও শেষ দুই ব্যাটার তাঁর লড়াইকে বৃথা যেতে দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *