বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর আজ গণশুনানি

বাংলাদেশ ব্রেকিং নিউজ

২০-২৩% বাড়াতে চায় ৬ কোম্পানি

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২০ থেকে ২৩ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ছয় বিতরণ কোম্পানি। প্রস্তাবগুলো বিশ্নেষণ করে ১৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত মূল্যায়ন কমিটি।

এসব প্রস্তাবের ওপর আজ রোববার রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শেষ না হলে সোমবারও শুনানি চলবে। সব পক্ষের মতামত পর্যালোচনা করে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আদেশ ঘোষণা করবে কমিশন। তবে সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসেই নতুন ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০০৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ১০৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সর্বশেষ খুচরা দাম বাড়ানো হয় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় দাম বাড়ে ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বিইআরসি জানিয়েছে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বিদ্যুতের খুচরা দাম পুনর্নির্ধারণের আবেদন করেছে। তাদের আবেদনের ওপরই গণশুনানি হবে। একই সঙ্গে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সঞ্চালন মাশুল বাড়ানোর আবেদন নিয়েও শুনানি হবে।

গত ২১ নভেম্বর পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়ানো হয়। ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩ পয়সা বাড়ায় বিইআরসি। এরপরই খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে বিতরণ কোম্পানিগুলো।

জানতে চাইলে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ হলে খরচ কমে আসবে। তখন দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। তা না করে গ্রাহকের পকেট কাটার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে গ্রাহকের ওপর আর বোঝা না চাপানোর দাবিও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *