আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি হয়নি, পাকিস্তানের রিজার্ভ ৩০০ কোটি ডলারের নিচে

Uncategorized

পাকিস্তানের সঙ্গে ঋণচুক্তি হয়নি, তবে এ ব্যাপারে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির একটি প্রতিনিধিদল ১০ দিনের পাকিস্তান সফর শেষে আজ শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়েছে। তবে কী কারণে ঋণচুক্তি হয়নি, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি আইএমএফের প্রতিনিধিদল। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। 

দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পাকিস্তান ২০১৯ সাল থেকে আইএমএফের কাছ থেকে সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণের জন্য চেষ্টা করে আসছে। এ ব্যাপারে দফায় দফায় আলোচনা হওয়ার পরেও শেষ পর্যন্ত ঋণচুক্তি হলো না পাকিস্তানের সঙ্গে। 

আইএমএফ তাদের বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় ঋণচুক্তির নীতিগত পদক্ষেপের ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা অব্যাহত থাকবে। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তাব্যবস্থার অবনতিসহ নানা কারণে কঠিন সংকটকাল পার করছে পাকিস্তান। এই মুহূর্তে উচ্চমাত্রার বৈদেশিক ঋণ প্রয়োজন দেশটির। এর জন্য তারা বারবার আইএমএফের দ্বারস্থ হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, গত সপ্তাহে পাকিস্তান সফরে আসা আইএমএফের প্রতিনিধিদল এমন সব কঠিন কঠিন শর্তের কথা বলেছে, যা কল্পনার বাইরে। 

গতকাল পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত এক সপ্তাহে ১৭০ মিলিয়ন হ্রাস পেয়েছে। এখন পাকিস্তানের রিজার্ভ রয়েছে ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার (২৯০ কোটি ডলার)। 

আইএমএফ চায়, পাকিস্তান সব সেক্টরে কর বাড়াক এবং জ্বালানিসহ সব ধরনের রপ্তানি খাতে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করুক। পাকিস্তান এসব শর্ত মানলে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম আরও বাড়বে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে শাহবাজ সরকারের ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে উঠবে। এসব দিক বিবেচনা করে শাহবাজ শরিফ আইএমএফের শর্ত মানতে রাজি হচ্ছেন না বলে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *