ইউক্রেন যুদ্ধ-বাখমুত দখলে নেয়ার দ্বারপ্রান্তে রুশ বাহিনী

আন্তর্জাতিক ব্রেকিং নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রহীন নতুন ন্যাটো চায় হাঙ্গেরি
হোয়াইট হাউসে আলোচনায় বাইডেন-শলৎজ
ভারতকে পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র
মতৈক্য ছাড়াই শেষ জি২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন

ইউক্রেনের ডনবাস প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর বাখমুত নিয়ন্ত্রণে নেয়ার দ্বারপ্রান্তে আছে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ। বর্তমানে শহরটির ভেতর ঢুকে পড়েছে কিছু সেনা। এছাড়া শহরটি চারদিক দিয়ে ঘিরেও ফেলা হয়েছে। দীর্ঘ ৮ মাস ধরে বাখমুত দখলে অব্যাহত চেষ্টা করে যাচ্ছিল তারা।

সিএনএন শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাখমুতে থাকা ইউক্রেনীয় ড্রোন ইউনিটকে এরই মধ্যে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাখমুতের পাশের শহর চাসিভ ইয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুও উড়িয়ে দিয়েছে রুশ বাহিনী। খ্রোমোভ গ্রামের এ সেতুটি বাখমুত-চাসিভ ইয়ারের মধ্যে রসদ সরবরাহের প্রধান পথ ছিল। শুধু তাই নয়, এ সেতু উড়িয়ে দেয়ার কারণে বাখমুতে থাকা বেসামরিক মানুষ ও যুদ্ধাস্ত্র নিয়েও সহজে বের হতে পারবে না ইউক্রেনীয় বাহিনী। এখন তাদের ব্যবহার করতে হবে কর্দমাক্ত মাঠ।

বাখমুতে মোতায়েনকৃত ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনীর এক সেনা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সেতুটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রুশ বাহিনী। এতে সেতুর বড় একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, ওয়াগনার গ্রুপ প্রধান ইয়েভগিনি প্রিগোজিন শুক্রবার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেই ভিডিওতে তিনি বলেছেন, বাখমুত এখন ‘কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে।’ তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন নিজ সেনাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। কারণ বর্তমানে ইউক্রেনীয় সেনাদের বাখমুত ছাড়ার জন্য মাত্র একটি পথই খোলা আছে।
এদিকে বাখমুতকে রক্ষায় সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল ইউক্রেনের সেনারা। কিন্তু রুশ বাহিনীর তীব্র হামলার মুখে আপাতত বাধ্য হয়ে তাদের সরে যেতে হচ্ছে। বাখমুত দখলে রুশ বাহিনী এতই হামলা চালিয়েছে যে, শহরটির বেশিরভাগ ভবন এরই মধ্যে ধসে গেছে।

রাশিয়ার গ্রামে ঢুকে গুলি চালানোর অভিযোগ : রাশিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রামে ঢুকে ইউক্রেনীয় বাহিনী বেসামরিক লোকদের ওপর গুলি চালিয়েছে বলে দাবি করেছে মস্কো। এদিকে মস্কোর এ অভিযোগ অস্বীকার করে কিয়েভ বলছে, এটি রাশিয়ার ‘ইচ্ছাকৃত উসকানি’।

মস্কো বলছে- বৃহস্পতিবার ইউক্রেন সীমান্তঘেঁষে তাদের এলাকায় নিয়মিত গুলি ছুড়ছে ইউক্রেনীয় সেনারা। গতকাল শুক্রবারও রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক অঞ্চলে ঢুকে তারা গুলি ছুড়েছে। মস্কোর এমন দাবির পরপরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, আজ আরো হামলা চালালো সন্ত্রাসীরা। সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *