জনসনকে সরিয়ে দিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

ক্রিকেট ক্রীড়া জগত

ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিডনি টেস্টেই হবে এই ফরম্যাটে ডেভিড ওয়ার্নারের শেষ ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড থেকে ৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ওই টেস্টে ওয়ার্নারকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়ারও পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু ব্যাপারটি ঠিক মেনে নিতে পারেননি ওয়ার্নারের সাবেক সতীর্থ মিচেল জনসন।

সাবেক অজি এই পেসারের মতে, ওয়ার্নারের মত বিতর্কিত একজন কীভাবে নিজের ইচ্ছামতো বিদায় জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন। মূলত, ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে ‘সেন্ড পেপার’ কেলেঙ্কারিতে জনসনের সঙ্গে নাম উঠেছিল ওয়ার্নার ও স্মিথের। শিরিষ কাগজ দিয়ে বল বিকৃত করার দায়ে এক বছর নিষিদ্ধ হন জনসন। একই শাস্তি ভোগ করতে হয় ওয়ার্নার ও স্মিথকেও।

তাই ‘ওয়েস্ট অস্ট্রেলিয়ান’-এর এক কলামে জনসন লেখেন, ‘অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারির নায়ককে কেন নায়কের মতো বিদায় দিতে হবে।’

জনসনের এমন কাণ্ডে চটেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এক অনুষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল মিচেল জনসনকে। পার্থ টেস্টের মধ্যাহ্নবিরতিতে দুটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল সাবেক এই পেসারের। শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া সরিয়ে দেয় তাকে। জনসনের জায়গায় আরেক সাবেক ক্রিকেটার মাইকেল হাসিকে অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে আনা হয়। নিউজ কর্পের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নিউজডটকমডটএইউ ও কোড স্পোর্ট।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দৃষ্টিতে ওয়ার্নারের সমালোচনা করে লেখা জনসনের কলামটি একটু বাড়াবাড়ি ছিল। এ বিষয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একজন মুখপাত্র বলেন, ‘জনসন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা তারকা বোলার। সে কারণে তাকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রোগ্রামে অতিথি বক্ত হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর সবদিক বিবেচনা করে তাকে বক্তা হিসেবে রাখা হয়নি।’

যদিও প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি করে সমালোচকদের দারুণ জবাব দেন ওয়ার্নার। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে প্রথম টেস্টে ৩৬০ রানের বিশাল জয় পায় অস্ট্রেলিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *